সিনিয়র খালাতো বোন যখন বউ “দ্বিতীয় পর্ব”

প্রকাশিত: ২:৩৫ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৭, ২০২০

– কি রে মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি চলে এসেছিস (সিনিকদ্ধা আপু)

— হুম আপু, কিন্তু তুমি অন্য ছেলের হাত ধরে কেন হাটছো, আমি তোমাকে ভালোবাসি, অন্য ছেলের হাত ধরে হাটবে এটা আমি কখনোই সজ্য করতে পারবো না। ( আমি)

— কি বললি বিয়াদপ, ও আমার bf ওর সাথে চলবো না তো কার সাথে চলবো,

— না তুমি চলতে পারবে না, আমি তোমাকে ভালোবাসি,,

ঠস্ ঠস্ ঠস্ করে বসিয়ে দিলো

–বিয়দপ হয়ে যাচ্ছিত দিন দিন। আজ তোকে আমার bf এর সাথে তোকে পরিচয় করাতাম কিন্তু তুই তার যোগ্য নয়। দুর হ আমার সামনে থেকে,, ( সিনিকদ্ধা আপু)

আমি সেখান থেকে চলে এলাম, অপরদিকে সিনিকদ্ধা আপু ওই ছেলেটার হাত ধরে চলে গেলো,,

এই ভাবে ১ মাস চলে গেলো মনের মধ্যে অনেক কষ্ট নিয়ে, বেঁচে থাকি।

একদিন একটু জরুরী কাজে রহনপুর যাচ্ছিলাম।

ফিরতে প্রায় সন্ধা নেমে এসেছে আজ বাইক ও আনিনি, কোন গাড়িও পাচ্ছি না।

তাই একটু একটু করে হাটছি,

হঠাৎ কোথায় থেকে যেন একটা মেয়ে চিল্লাচ্ছে, শব্দ আসছে বাঁচাও বাঁচাও

আমি একবার ভাবলাম এরিয়ে চলে যাব, আরেক বার ভাবলাম না, আমিও একটা পুরুষ, একটা মেয়ে বিপদে পড়েছে তাকে উদ্ধার করা আমার কত্যর্ব,
তাই আশেপাশে দেখলাম একটা বড় মোটা লাঠি পড়ে আছে, আমি সেটাকে হাতে নিয়ে, এক পা দু পা করে এগোচ্ছি

সামনে যেতে দেখি আরে এতো সিনিকদ্ধা আপু, আর ছেলেটা তো সিনিকদ্ধা আপুর bf তো কেনো টেনে নিয়ে যাচ্ছে।

আমি কিছু না ভেবে ছেলেটার পিঠে দিলাম এক বারি, সাথে সাথে ছেলেটা একটা ছুরি বের করলো, এবং আমার পেটে ঢুকাতে যাচ্ছিলো, তখন ধরে ফেলি হাতে,, হাত কেটে রক্ত পড়ছে,
এটা দেখে সিনিকদ্ধা আপু চমকে উঠে,

আমি ছেলেটাকে এক ধাক্কা মেরে ফেলে দিলাম তারপর লাঠি দিয়ে উরুধুরু মাইর মারলাম ছেলেটা লিঢাল হয়ে পারে আছে,, পুলিশ কে ফোন করলাম। দিয়ে তাকে ইভটিজিং সহ ধর্ষনের মামলা দিয়ে, পুলিশ তাকে নিয়ে চলে গেলো,,

অপর দিকে সিনিকদ্ধা আপু মাথা নিচু করে দারিয়ে আছে,

আমি আবার হাটতে শুরু করলাম।
হঠাৎ পিছনে থেকে
— দারাও আঃরহমান ( সিনিকদ্ধা আপু)

–হুম কি বলবে, আমাকে বাড়ি যেতে হবে গাড়ি পাচ্ছি না, অনেক হাটতে হবে, ( আমি)

তারপর সিনিকদ্ধা আপু আমার হাতের দিয়ে চোখ যায়,

— একি রে তোর হাতে তো রক্ত ( সিনিকদ্ধা আপু)

— ও কিছু হবে না। হালাকা একটু কেটেছে ( আমি)

— বেশি কথা বলবি না, চুপ থাক ( আপু)

তারপর তার ওড়না ছিড়ে আমার হাতে ব্যান্ডেজ করে দিলো।

— ধন্যবাদ থাকো আপু অনেক রাত হলো সাবধানে বাড়ি যেও, আমাকেও আবার বাড়ি যেতে হবে ( আমি)

— কি বলছিস এত রাতে কি ভাবে বাড়ি যাবি, চল আমার বাসাতে ( সিনিকদ্ধাআপু)

এক প্রকার জোর জরি করে আমাকে নিয়ে গেলো তার বাসায়।

আমিও চলে গেলাম তার বাসতে, রাস্তায় যেতে যেতে বলল-

— কোথায় গিয়েছিল ( সিনিকদ্ধা আপু)

— এই উপজেলায় একটু কাজ ছিলো তাই এসেছিলাম, বাইক টা আনিনি আর গাড়ি পাচ্ছিলাম না। ( আমি)

–ওহ্

— আচ্ছা আপু ছেলেটাতো খুব ভালো তোমার সাথে এমন করছিলো কেন? ( আমি)

— কি বলবো,, আমিও প্রথমে ছেলেটাকে পছন্দ করতাম, তাকে শান্তশিষ্ট মনে হতো,, দুজনে এক সাথে রেস্টুরেন্টে থেকে বাসায় ফিরছিলাম,, কিন্তু মাঝ পথে এসে আমাকে বাজে কথা বলে, আর খারাপ কাজ করার প্রস্তাব দেই, আমি রাজি না হওয়ার জোর করছিলো, তুই ঠিক টাইমে না আসলে আজ আমার সর্বনাস করে দিতো /( সিনিকদ্ধা আপু)

— ওহ্ চিন্তা কইরোনা আপু, আবার খুঁজো ভালো ছেলে পেয়ে যাবে

কথা বলবে বাসায় কাছে চলে এসেছি তারপর খালাম্মা দরজা খুললো,
সেদিন রাতে হাত কেটে যাওয়ার কারণে ভালোভাবে খেতে পারিনি,, খালাম্মা বিষয় টা দেখে খুব কষ্ট পাই,, না খেয়েই ঘুমিয়ে গেলাম,,
রাত ১২ টার সময় কে যেন আসার শব্দ পেলাম,
লাইট অন হলো

— আরে সিনিকদ্ধা আপু তুমি ( আমি)

— হুম, কেন অন্য কাউকে দেখতে চাইছিলি নাকি? ( সিনিকদ্ধা আপু)

— না মানে এত রাতে তুমি এখানে কেন? ( আমি)

— তুই খাসনি তাই খাবার নিয়ে এলাম,, ( সিনিকদ্ধা আপু)

— আমি খেতে পারবো না আপু, (আমি)

— কে তোকে খেতে বলেছে? আই আমি খাইয়ে দিচ্ছি, ( সিনিকদ্ধা আপু)

— তুমি কেন খাইয়ে দিবে? ( আমি)

— বেশি কথা বললে লাথি খাবি,, হা কর ( সিনিকদ্ধা আপু)

একপ্রকার জোর করে খাইয়ে দিলো,

পরদিন বাসায় চলে আসলাম,

হঠাৎ একটা কল আসলো
স্কিনে তাকিয়ে দেখলাম…..

লেখক: আবদুর রহমান